কেন লিখতে বসা – মানুষের যেমন মাঝে মাঝে খিদে পায়, তেষ্টা পায়, আমারও তেমন মাঝে মাঝে লেখা পায়! সেই তাড়নাতেই লিখতে বসা। একবার তেষ্টা মিটে গেলে, পরেরবার আবার কখন তেষ্টা পাবে, তা যেমন নিশ্চিত করে বলা যায় না, তেমনই লেখার এক পর্ব শেষ হলে, কখন যে আবার লেখার ইচ্ছা হবে, আমারও তা জানা নেই! গল্পগুলি লেখার পিছনে পূর্বনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা ছিল না। তবে গল্পগুলি লিখতে গিয়ে যে গল্প বলার অনাবিল আনন্দের স্বাদ পেয়েছি, সে কথা অকপটে স্বীকার করি। আশা করি গল্পগুলি পড়লে সেই আনন্দের খানিকটা ভাগীদার আপনারাও হবেন।
গল্পগুলির বিষয়বস্তু – গল্পগুলির বিষয় এমনি যে তাদের নিয়ে আজকাল আর কেউই ভাবে না বা ভাবলেও তেমন গুরুত্ব দেয় না। এই পর্বে মোট সাতটি গল্প এবং প্রতিটি গল্পের বিষয় আলাদা। কোনোটির বিষয় বাড়ীতে রাখা পুরানো বই, তো কোনোটির বিষয় বাগানের গাছ। গল্পগুলিতে কারও চিন্তার কারণ তার গান গাইবার তানপুরা, তো কারও চিন্তা তার পোষা ছাগলটি। কেউ চিন্তিত রান্নার স্বাদ নিয়ে, তো কেউ আবার পাশের গ্রামে ঘটতে থাকা অলৌকিক ঘটনা নিয়ে। শেষ গল্পটিতে অবশ্য আমরা সবাই চিন্তিত – কারণ চিন্তার বিষয় আমাদের এই পৃথিবী!
গল্পগুলির দৈর্ঘ্য এবং নামকরণ – প্রতিটি গল্পই দৈর্ঘ্যে টি টোয়েনটি, কারণ টেস্ট খেলার জন্য অনেকবেশী প্রতিভা ও চর্চার প্রয়োজন, যা আমার নেই। গল্পগুলির নাম গড়পারের এক প্রিয় লেখককে উৎসর্গীকৃত। থ্যাঙ্ক ইউ মিঃ গাঙ্গুলি!
সবশেষে বলি, আমাদের মধ্যে যাদের মাঝে মাঝে কারণে অকারণে মন খারাপ করে, তাদের সেই মন খারাপের মুহূর্তগুলিতে এই গল্পগুলি পড়ে যদি মন খানিকটা হালকা হয়, তবে তাতেই এই গল্পগুলির সার্থকতা।
পুনশ্চঃ – গল্পগুলির সকল চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিক!
Text Copyright ©2024 by Suman Saha. All rights reserved.
